Question and Answer

কোরআন খতম করার পরে দোয়া করার বিষয়টি সালফে সালেহীনদের আমল দ্বারা সাব্যস্ত হয়েছে। সালফে সালেহীনগণ এ সময়টাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিতেন এবং দোয়া করা পছন্দ করতেন। এ ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের দোয়া করা জায়েজ রয়েছে। তবে দোয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আল্লাহর বান্দারা আল্লাহ রব্বুল আলামিনের প্রশংসা দিয়ে শুরু করবেন। তারপর রাসুল (সা.)-এর ওপর দরুদ পড়বেন। এরপর অর্থবোধক যে দোয়াগুলো আল্লাহর নবী করিম (সা.) শিক্ষা দিয়েছেন সেগুলো পড়বেন। আমরা যেহেতু আরবি বুঝি না সে ক্ষেত্রে আপনি বাংলায় যা খুশি তাই দোয়া করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে আল্লাহর প্রশংসা এবং রাসুল (সা.)-এর ওপর দরুদ পড়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। "ড. সাইফুল্লাহ মাদানী"
যেখানে ভুলে যাবেন, সেখানে আপনি রুকুতে চলে যাবেন, কোনো অসুবিধা নেই। যতটুকু আপনার স্মরণে ছিল, ততটুকু পড়ার পর যদি আপনি রুকুতে চলে যান, এতে আপনার সালাত হয়ে যাবে। সালাতের জন্য শর্ত হচ্ছে, আপনি কোরআনের যতটুকু পারেন, তিলাওয়াত করবেন। সুরা ফাতেহা পড়তেই হবে। তিনি যদি সুরা ফাতেহা ভুলে যান, তাহলে চেষ্টা করবেন মনে করার। এরপরও যদি স্মরণে না আসে, তাহলে তিনি রুকুতে চলে যাবেন এবং তাঁর সালাত হয়ে যাবে। যেহেতু আল্লাহ বান্দাদের ভুলে যাওয়ার জন্য পাকড়াও করবেন না। "ড. সাইফুল্লাহ মাদানী"
ইমামের পেছনে আপনার ভুল হলে সাহু সিজদা দিতে হবে না। কিন্তু আপনি যদি ইমামের সালাত আদায় করার পর যদি দুই বা তিন রাকাত সালাত আদায় করে থাকেন, এতে যদি আপনার সাহু সিজদা ওয়াজিব হওয়ার মতো ভুল হয়ে যায়, তাহলে আপনাকে সাহু সিজদা দিতে হবে। কিন্তু এ ভুল যদি ইমামের সঙ্গে হয়, তাহলে আপনাকে সাহু সিজদা দিতে হবে না। "ড. সাইফুল্লাহ মাদানী"
তার কাছে টাকা পৌঁছানোর কোনো সুযোগ না থাকলে, তার পক্ষ থেকে আপনি সদকা করে দেবেন। এটিই আপনার জন্য উত্তম পদ্ধতি হবে। কেয়ামতের দিন যখন সে আপনার কাছ থেকে এই হক চাইবে, তখন আল্লাহ এখান থেকে তার এই হক পূরণ করে দেবেন। তখন আল্লাহ ব্যবস্থা করে দেবেন। "ড. সাইফুল্লাহ মাদানী"

 

%d bloggers like this: