রাঙ্গুনিয়া মসজিদ নির্মাণ সার্বিক তত্বাবধানে কালচারাল ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম।

السلام عليكم ورحمة الله وبركاته

সমস্ত প্রশংসা সেই মহান রাব্বুল আলামিনের জন্য, যার মাধ্যমে সকল ভালো কাজ সম্পন্ন হয়।

সম্মানিত প্রিয় ভাই, আশা রাখি আল্লাহ আপনাকে সুস্থ ও কল্যাণের উপর রেখেছেন।
*আলহামদুলিল্লাহ, কালচারাল ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম এর পূর্ব ঘোষিত রাঙ্গুনিয়া মসজিদ প্রকল্প নতুন উদ্দ্যমে ভিন্ন আঙ্গিকে কাজ শুরু হয়েছে। গতকাল ১৫.৮.২০২০ (রোজ শনিবার) ফাউন্ডেশন এবং সম্মানিত এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ২ লক্ষা টাকা বাজেট নির্ধারণ করে কালেকশান করলেও বিশ্বব্যাপী করোনা ক্রান্তিতে গত ৫ মাস মসজিদের কাজ শুরু করা সম্ভবপর হয়ে উঠেনি।আয়তনে বড়,নতুন ডিজাইন,টয়লেট, অযুখানা, টিউবওয়েল সহ আনুষাংগিক সবকিছু মিলিয়ে বাজেট বেড়ে দাড়িয়েছে ৩ গুন (প্রায় ৬ লক্ষ টাকা) যা নীছের ছবিতে ইঞ্জিনিয়ারিং এস্টিমেটে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন।*
*বর্তমানে আমাদের হাতে আছে ১৭৩০০০/ টাকা।*
সম্মানিত দ্বিনি ভাইয়েরা, মুসলিম উম্মাহর কাছে অত্যান্ত প্রিয় ও মর্যাদাপূর্ণ স্থান মসজিদ। মসজিদ আল্লাহর ঘর। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে ‘মসজিদ মূলত আল্লাহর ঘর।’ (সুরা জিন : ১৮)।
আল্লাহর ঘর মসজিদ নির্মাণ, মেরামত, সংস্কার এবং এতে দান-সাহায্য করা মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত আবেগ ও গৌরবের বিষয়। এর সঙ্গে মুসলিম উম্মাহর হৃদয় ও আত্মার সম্পর্ক। আল্লাহ এর জন্য পুরস্কারও ঘোষণা করেছেন। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য মসজিদ নির্মাণ করল, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে ঘর নির্মাণ করবেন।’ (মুসলিম : ১২১৮; শুয়াবুল ঈমান : ২৯৩৯)
মসজিদ নির্মাণ করাকে হাদিসে সদকায়ে জারিয়া, অর্থাৎ চলমান সদকা হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। মসজিদ নির্মাণের জন্য দান করলে, যতদিন এই মসজিদে মানুষ ইবাদত বন্দিগী করবে ততদিন এর সওয়াব (কবরে বসেও) বান্দা পেতে থাকবেন।
পৃথিবীতে কেউ চিরস্থায়ী নয়, সবাইকে চলে যেতে হয়। যাওয়ার সময় কেউ সঙ্গে যাবে না। যাবে শুধু নিজের কৃত আমল। কিয়ামতের দিন কঠিন সময়ে তারাই মুক্তি ও সফলকাম হবে যাদের সৎ আমলের পাল্লা ভারি হবে। আর মৃত্যুর পরও সৎ আমলের পাল্লা ভারি হতে পারে একমাত্র সদকায়ে জারিয়ার মাধ্যমে।
রাসুল সাঃ বলেন, মানুষ মৃত্যুবরণ করলে তার আমলের সব দরজা বন্ধ হয়ে যায়, শুধু তিনটি আমল চালু থাকে, ১. সদকায়ে জারিয়া, ২. ইলম, যার দ্বারা মানুষের উপকার হয় ও ৩. সুসন্তান, যে পিতামাতার জন্য দোয়া করে – মুসলিম
প্রত্যেক বিবেকসম্পন্ন ব্যক্তিরই উচিত দুনিয়াতে বসেই পরকালের পুঁজি সংগ্রহ করা দুনিয়ার চাকচিক্যে নিজেকে জড়িত না রেখে, ধন-সম্পদের মোহ ত্যাগ করে অন্ততপক্ষে আখেরাতের সাফল্যের জন্য প্রতিনিয়ত কিছু ব্যয় করা। আর আখেরাতের মিজানের পাল্লা ভারী করে আমলনামা ডান হাতে পাওয়ার প্রত্যাশায় হাদিসে বর্ণিত তিনটি কাজের অন্ততপক্ষে যেকোনো একটি কাজ করে মউতের সুধা পান করা।
আসুন খাঁটি নিয়তে কেবল আল্লাহর জন্য মসজিদ নির্মাণ করার কাজে সহযোগীতা করি, যাতে করে মৃত্যু পরবর্তী বারজাখের জীবনে সাদকায়ে জারিয়ার সওয়াব পেতে থাকবে বান্দা। তাই সাধ্যমতো বেশি থেকে বেশি মসজিদ নির্মাণ ও সংস্কারে জান-মাল দিয়ে সহায়তা করা চাই। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুন।
মা আস সালাম
পরিচালক, সিএফসি
আপনার সাদাকা/দান/যাকাত পাঠাতে –
বিকাশ করতে পারেন – 01618111668 / 01312 320405
বিস্তারিত জানতে ফোন করুন- 008801753069007
সি এফ সি’র নিয়মিত কার্যক্রম জানতে ভিজিট করুন- www.cfc.com.bd
লগইন করুন www.facebook.com/culturalfoundationctg/

Leave a Comment

%d bloggers like this: